menu_open Menu
পারিবারিক আইন

কেউ সুইসাইড/আত্নহত্যা করবে বলে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করলে কি করবেন?

কেউ যদি আত্মহত্যা করার ভয় দেখিয়ে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল বা ইমোশনাল ট্র্যাপে ফেলে, তবে আপনার আইনি করণীয় কী? ব্ল্যাকমেইল থেকে মুক্তি এবং আইনি সুরক্ষার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

description

ট্রান্সক্রিপ্ট (Transcript)

expand_more

00:00 – 00:57
আসসালামু আলাইকুম। এক পক্ষ চাচ্ছে বিয়ে করতে আরেক পক্ষ বিয়ে করতে চাচ্ছে না। এখন যে পক্ষ বিয়ে করতে চাচ্ছে সে ক্রমাগত অন্য পক্ষকে ব্ল্যাকমেইল করতেছে। যে তুমি যদি আমাকে বিবাহ না করো সেক্ষেত্রে আমি সুইসাইড করব। এখন একটা ছেলেও হতে পারে, মেয়েও হতে পারে। ধরুন একটা ছেলে একটা মেয়েকে বিয়ে করতে চাচ্ছে। এখন মেয়ে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ছেলে চাচ্ছে যে সুইসাইড করবে এবং এটা মেয়েকে জানাচ্ছে। একইভাবে উল্টোটা হতে পারে। মেয়ে চাচ্ছে ছেলেকে বিয়ে করতে কিন্তু ছেলে চাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে মেয়ে তাকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করতেছে যে তুমি আমাকে যদি বিয়ে না করো সেক্ষেত্রে আমি সুইসাইড করব। এই ক্ষেত্রে যাকে বলা হচ্ছে যে তুমি যদি আমাকে বিয়ে না করো আমি সুইসাইড করব সে তার করণীয় কি? সে কি কোনভাবে এই মেয়েটা বা ছেলেটা যদি সুইসাইড করে তাহলে কি সে ফেসে যাবে কিনা? দেখুন আমাদের সমাজে রিসেন্ট টাইমে আমরা দেখতেছি আত্মহত্যার পরচনা টাইপের মামলাগুলো বেড়ে যাচ্ছে। একজন প্রেমের সম্পর্ক বা অন্য যেকোনো কারণে একটা লোক হয়তো মেন্টাল টর্চার এত বেশি দিচ্ছে যে সে সুইসাইড করতে বাধ্য হচ্ছে। তখন তার বিরুদ্ধে কিন্তু আত্মহত্যা প্ররোচনার জন্য মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এখন আমরা জানি যে সহযোগিতার জন্য অনেক

01:00 – 01:58
জায়গায় মামলা করা হচ্ছে। ইন্ডিয়াতে অনেকগুলো কেস হচ্ছে এমন সহযোগিতার মধ্যে বা প্রবোক করার জন্য মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এখন এই ক্ষেত্রে যে লোকটা কোন ধরনের প্ররোচনা তা প্রবোক করতেছে না বা সহযোগিতা করতেছে না। শুধুমাত্র তাকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছে। উল্টো সে যদি তাকে বিয়ে না করে বা নির্দিষ্ট কোন একটা পারপাস সার্ভ না করায় তাহলে সে সুসাইড করবে এবং এটা ব্লেমটা তার বিরুদ্ধে দিবে। কারণ আমরা জানি কেউ যদি সুইসাইড করার সময় কারো নামে একটা জাস্ট ছোট্ট নোটও লেখা যায় কাউকে ব্লেম করে এটার জন্য তার মোটামুটি লাইফ হেল করে দেওয়া যথেষ্ট এই ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিটার করণীয় কি এই ব্যক্তিটার করণীয় হচ্ছে তাকে এস সুন এস পসিবল ওই ফ্যামিলিকে জানানো তার নিজের ফ্যামিলিকে জানানো এবং হচ্ছে থানাকে জানানো কারণ আমরা এই টাইপের বিষয়গুলো কি করি হাইড করে রাখি নিজের মধ্যে তখন পুরো স্ট্রেস আমাদেরকে চেপে বসে আপনি যদি আগে থেকে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে না রাখেন সে কষেত্রে যখনই ওই লোকটা কোন একটা অকারেন্স ঘটিয়ে ফেলবে তখন কিন্ আপনি টাইম পাবেন না। কারণ এস সুন এস পসিবল পুলিশ কি করবে? যখনই কোথাও না কোথাও আপনার নামটা মেনশন পাবে। এখন তো আরো ট্রেন্ডিং হয়ে গেছে ফেসবুকেই মারা যাওয়ার আগে লিখে যায় বা

02:01 – 02:59
লাইভে বলে যায়। তখন হচ্ছে আপনাকে পুলিশ সবার আগে আপনাকে ধরবে। ধরার পরে আপনি আর ওই এভিডেন্সগুলো যে কালেক্ট করে পুলিশকে দিবেন ওই সময়টাতো আপনি পাবেন না। ইভেন যদি আপনার ফ্যামিলিকে আপনি না জানান সেক্ষেত্রে আপনার ফ্যামিলিও জানবেন আসলে কি হয়েছিল। সেক্ষেত্রে আমাদের এই যে মিডিয়া ট্রায়াল যেটা আছে মিডিয়া ট্রাল কিন্তু প্রথমে ধরেই নিবে আপনার ফল্ট। আপনার কারণে হয়তো এই ঘটনাটা ঘটেছে। আপনি হয়তো কিছু না কিছু ওর সাথে করেছেন যার ফলে সে আপনাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেলটা করতে বাধ্য হয়েছে। তো যখনই এ ধরনের ঘটনাগুলো ঘটবে এবং এমন না যে আমরা বলতেছি সবসময় যে ব্যক্তিটা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করতেছে সেই খারাপ। এমনও হতে পারে এই পাশে যে লোকটা আছে সে এমন কিছু করেছে যার ফলে ওই লোকটা আজকে তাকে বিয়ে করার জন্য বা কোন একটা নির্দিষ্ট পারপাস সার্ভ করার জন্য প্রেসার দিচ্ছে। এমনও হতে পারে এই সাইডেরও ফল্ট থাকতে পারে। বাট যারই ফল্ট থাকুক যেটাই থাকুক সুইসাইড কখনো সমাধান না। অবশ্যই যদি আপনি মনে করে থাকেন যে আপনি ওই লোকটাকে ওই লোকটা আপনাকে বিয়ে না করলে আপনি সুইসাইড করবেন। সেক্ষেত্রে এটা সুসাইড কোনদিন সমাধান না। আপনি বরঞ্চটা তাকে বিয়ের জন্য প্রেসার দিয়ে লিগাল একশন নিতে পারেন। অন্য কোন একশন দিতে পারেন। বাট আপনি মারা গেলে কি কোন সমাধান হবে? আপনি মারা যাওয়ার পর ওই লোকটা যদি ফাঁসিও হয় আপনার ফায়দা কি? আপনি তো এটা দেখে যেতে পারলেন

03:01 – 03:56
না বা আপনি এটা উপভোগ করতে পারলেন এবং কয়টা লোকের এমন ফাঁসি হয়েছে যে আরেকজন তার জন্য সুইসাইড করছে এই লোকের ফাঁসি হয়েছে বাংলাদেশ বা ইন্ডিয়াতে কোন জায়গায় দেখেছেন এই ধরনের কোন প্রেক্ষাপট খুব একটা ঘটে নাই কিন্তু এই কারণে সুইসাইডটা কখনো সমাধান না আর সেম একইভাবে আপনি যদি ইনোসেন্ট হয়ে থাকেন আর কেউ আপনাকে এই ব্ল্যাকমেইল করতেছি ইমোশনালি যে তুমি আমাকে বিয়ে না করলে বা আমার এই পারপাস সার্ভ না করলে আমি সুইসাইড করব এবং তোমাকে ফাঁসিয়ে যাব সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ফ্যামিলিকে প্রথম জিনিসটা জানাবেন এবং ওর ফ্যামিলিকেও জানাবেন যাতে ও অন্তত সুইসাইডটা না করে একটা প্রাণ যাতে বেঁচে যায় পাশাপাশি থানাতে অবশ্যই ইনফর্ম করে রাখবেন চেষ্টা করেন একটা জিডি করে রাখতে যে ও আমাকে এইভাবে এভাবে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করতেছে এবং এভিডেন্সগুলো কালেক্ট করে রাখবেন যেগুলো ইন ফিউচারে সে যদি আসলেই অকারেন্সটা ঘটিয়ে ফেলে এবং পুলিশ আপনাকে সন্দেহ করে আপনাকে ধরে নিয়ে যায় ওই এভিডেন্সগুলো যাতে আপনার কাজে লাগতে পারে এ কারণে ওর অকারেন্সের আগেই চেষ্টা করবেন এই পদক্ষেপগুলো নিতে যাতে ওই প্রাণটাও বেঁচে যায় আর আপনিও মোটামুটি প্রবলেম থেকে বের হয়ে আসতে পারেন আশা করি বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম।

সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য

সবগুলো দেখুন
play_arrow
ভিডিও পোস্ট
পারিবারিক আইন

স্বামীর সম্পত্তিতে স্ত্রীর এবং স্ত্রীর সম্পত্তিতে স্বামীর অধিকার

স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যুতে একে অপরের সম্পত্তিতে কতটুকু অধিকার থাকে? সন্তান থাকা বা না থাকার ওপর ভিত্তি করে আনুপাতিক হার...

play_arrow ভিডিও দেখুন
play_arrow
ভিডিও পোস্ট
পারিবারিক আইন

তালাকের পর সন্তানের দায়িত্ব ও ভরণপোষণ | Child Custody After Divorce in BD

বিবাহ বিচ্ছেদের পর সন্তানের জিম্মা বা রক্ষণাবেক্ষণ কে পাবে? মুসলিম আইন অনুযায়ী ছেলে ও মেয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে মা ও বাবার...

play_arrow ভিডিও দেখুন
play_arrow
ভিডিও পোস্ট
পারিবারিক আইন

নারী নির্যাতনের মিথ্যা মামলা করলে অভিযোগকারীর শাস্তি কি?

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলা করলে অভিযোগকারীর কী শাস্তি হতে পারে? আইনের ১৭ ধারা অনুযায়ী...

play_arrow ভিডিও দেখুন

আপনার আইনি জটিলতার সহজ সমাধান চান?

আর্টিকেলের সংশ্লিষ্ট কোনো আইন আপনার সমস্যার সাথে সম্পর্কিত হলে বিস্তারিত জানতে সরাসরি আমাদের মেসেজ দিন। আপনার আইনি জিজ্ঞাসাগুলোর সহজ ব্যাখ্যা পেতে আমরা সহযোগিতা করছি।