জমি ক্রয়ের পূর্বে ক্রেতার করণীয় – পর্ব ০৭ (এজমালি)
এজমালি বা যৌথ সম্পত্তি ক্রয়ের আগে অংশীদারদের সম্মতি কেন প্রয়োজন? সীমানা নির্ধারণ এবং দখলের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আইনি পরামর্শ।
description
ট্রান্সক্রিপ্ট (Transcript)
expand_more
00:00 – 01:00
আসসালামু আলাইকুম। আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় হচ্ছে এজমালি সম্পত্তি। এজমালি সম্পত্তি বলতে বোঝায় এমন জমি যার মালিক একাধিক ব্যক্তি এবং জমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সবার মধ্যে বণ্টন করা হয়নি। বিশেষ করে পৈতৃক সম্পত্তি যখন সবার নামে একত্রে থাকে, তখন সেটি এজমালি বা যৌথ সম্পত্তি হিসেবে পরিচিত হয়।
01:00 – 02:00
এজমালি জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে সবথেকে বড় সমস্যা হয় দখল নিয়ে। অনেক সময় দেখা যায় চার ভাই মিলে একটি জমির মালিক, কিন্তু কে কোন দিকে ভোগদখল করবে তা নির্ধারিত নেই। আপনি যদি একজনের কাছ থেকে তার নির্দিষ্ট অংশ ক্রয় করেন, তবে বাকি অংশীদারদের সম্মতি আছে কি না তা আপনাকে অবশ্যই যাচাই করতে হবে।
02:00 – 03:00
জমি ক্রয়ের আগে অংশীদাররা নিজেদের মধ্যে কোনো আপোষ বণ্টন দলিল বা বাটোয়ারা করেছে কি না তা দেখুন। অন্যথায় আপনি এক কোণায় বাড়ি করলেন কিন্তু পরবর্তীতে অন্য অংশীদার সেটি দাবি করতে পারে। এতে করে আপনার স্বপ্ন ভঙ্গ হতে পারে এবং আপনার বিনিয়োগ করা টাকা ঝামেলার মধ্যে পড়তে পারে।
03:00 – 03:40
তাই এজমালি সম্পত্তি কেনার সময় চৌহদ্দি বা সীমানা নির্ধারণ করে এবং সব অংশীদারকে সাক্ষী রেখে জমি ক্রয় করা সবচাইতে নিরাপদ। সম্ভব হলে জমিটি নামজারি বা খতিয়ান আলাদা করে নিয়ে তারপর রেজিস্ট্রি করবেন। ধন্যবাদ।
শেয়ার করুন
সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য
সবগুলো দেখুন
জমি বিক্রির পর সমস্যা হলে দায়-দায়িত্ব কার?
জমি রেজিস্ট্রেশনের পর সরকারি অধিগ্রহণ বা প্রাকৃতিক পরিবর্তনের দায় কি বিক্রেতার? জমি হস্তান্তরের পর ঝুঁকি এবং ত্রুটি গোপনের আইনি ফলাফল...
play_arrow ভিডিও দেখুন
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকারঃ পর্ব ০১
মালিকানা প্রমাণ ছাড়াই দ্রুত দখল ফেরত পাওয়ার উপায় কী? সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার সংক্ষিপ্ত আইনি প্রক্রিয়া এবং এর সীমাবদ্ধতা...
play_arrow ভিডিও দেখুন
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকারঃ পর্ব ০২
মালিকানা থাকা সত্ত্বেও বেদখল হলে ৮ ও ৪২ ধারার মাধ্যমে কীভাবে জমি ফেরত পাবেন? দীর্ঘমেয়াদী দখল পুনরুদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়া এবং...
play_arrow ভিডিও দেখুন